Chorabali Logo

ছেলে হবে না মেয়ে বলে দেবে সহজ এই পরীক্ষা

গর্ভের সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে এ নিয়ে অনাগত সন্তানের মা এবং তার পরিবারের সবাই চিন্তিত থাকেন। অনাগত সন্তানের প্রসঙ্গ উঠতেই সন্তানের লিঙ্গ সম্পর্কে কৌতূহলী হন না এমন মা বাবা পাওয়া যাবে না। কানাডার মাউন্ট সাইনাই হাসপাতালে চিকিৎসকরা বলেন ছেলে হবে না মেয়ে বলে দেবে এই সহজ পরীক্ষা।

তারা দাবি করেন, গর্ভবতী মায়ের রক্তচাপ এর পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকলে গর্ভের সন্তানটি কন্যা সন্তান বলে ধারণা করা হয়। আর যদি গর্ভবতী মায়ের রক্তচাপ ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে ছেলে সন্তান হবে বলে ধারণা করা হয়। 

ছেলে হবে না মেয়ে বলে দেবে সহজ এই পরীক্ষা

এক্ষেত্রে যারা পুত্র সন্তানের জননী হবেন তাদের রক্তচাপের গড় থাকে ১০৬ mmHg। এবং কন্যা সন্তানের মায়েদের রক্তচাপের গড় ১০৩ mmHg। চলুন তাহলে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক:

ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই কীভাবে বুঝবেন গর্ভে ছেলে নাকি মেয়ে?

কিছু কিছু লক্ষণ এবং স্বাভাবিক কিছু পরীক্ষার মাধ্যমেই গর্ভবতী মায়ের শরীরে ছেলে সন্তান নাকি মেয়ে সন্তান বেড়ে উঠছে।

ছেলে হবে না মেয়ে বলে দেবে সহজ এই পরীক্ষা

এক্ষেত্রে গর্ভবতী মায়ের রক্তচাপ এবং হার্টবিট খুব সাধারণ পরীক্ষাগুলোর মধ্যে অন্যতম। চলুন সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই কিভাবে বুঝবেন গর্ভে ছেলে নাকি মেয়ে?

  • আল্ট্রাসনোগ্রাফির রিপোর্টে গর্ভস্থ শিশুর হার্টবিট চেক করুন।
  • গর্ভবতী মায়ের মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কতটুকু তা লক্ষ্য রাখুন।
  • গর্ভবতী মায়ের চেহারায় ব্রণ এবং তৈলাক্ত ভাব রয়েছে কিনা দেখুন।
  • গর্ভবতী মায়ের মর্নিং সিকনেস কতটুকু তা খেয়াল রাখুন।
  • গর্ভবতী মায়ের মুড সুইং হচ্ছে কেন খেয়াল রাখুন।
  • গর্ভবতী মায়ের বেবি বাম্প বলে দেবে ছেলে হবে নাকি মেয়ে।
  • গর্ভবতী মা ঘুমানোর সময় তার শোয়ার ধরন লক্ষ্য রাখুন।

আরও … ছেলে সন্তান হওয়ার লক্ষণ সমূহ: সঠিক জ্ঞান এবং পরামর্শ

গর্ভস্থ শিশুর হার্টবিট চেক করুন

ধারণা করা হয় গর্ভস্থ শিশুর হার্টবিট ১৪০ এর বেশি হলে মেয়ে সন্তান হয়। এবং ১৪০ এর নিচে হলে ছেলে সন্তান হয়। তবে ২০ সপ্তাহের পরে আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে দেখা যায় গর্ভের সন্তান ছেলে নাকি মেয়ে।

গর্ভবতী মায়ের মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা

অনেকে মনে করেন যে সব গর্ভবতী মায়েরা টক জাতীয় খাবার বেশি পছন্দ করেন তারা ছেলে সন্তানের মা হন। আজ যেসব মায়েরা মিষ্টি খাওয়ার পছন্দ করেন তারা কন্যা সন্তানের মা হন।

ব্রণ এবং তৈলাক্ত ভাব

কিছু গর্ভবতী মায়েদের প্রথম ও দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে মুখে ব্রণ এবং তৈলাক্ত ভাব সৃষ্টি হয়। অনেক সময় দেখা যায় এইসব গর্ভবতী মহিলারা কন্যা সন্তানের মা হন। 

এবং যেই সব গর্ভবতী মায়েদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় তাদের পরবর্তীতে ছেলে সন্তান হবে বলে মনে করা হয়।

মর্নিং সিকনেস

গর্ভবতী মহিলাদের যদি মর্নিং সিকনেস বেশি হয় তাহলে তার মেয়ে হয়। এবং যেসব গর্ভবতী মায়েদের মর্নিং সিকনেস এবং বমি বমি ভাব কম থাকে তাদের পুত্র সন্তান হয় বলে ধারণা করা হয়।

মুড সুইং

যে সব গর্ভবতী মায়েদের মুড সুইং বেশি পরিমাণে হয় তাদের কন্যা সন্তান হয়। আর মুড সুইং কম পরিমাণে হলে ছেলে সন্তান হয় বলে ধারণা করা হয়।

বেবি বাম্প

গর্ভবতী মায়েদের পেট যদি নিচের দিকে ঝুলে থাকে তাহলে বুঝতে হবে গর্ভের সন্তান ছেলে। যদি পেট মাঝখানের দিকে উঁচু থাকে তাহলে বুঝতে হবে গর্ভের সন্তান মেয়ে।

ঘুমানোর ধরন

সাধারণত হবু ছেলের মায়েরা বামদিকে কাত হয়ে ঘুমায়। আর হবু মেয়ের মায়েরা ডানদিকে কথাই ঘুমাতে পছন্দ করে।

শেষ কথা

ছেলে হবে না মেয়ে বলে দেবে সহজ এই পরীক্ষা যেগুলো আমরা উপরে আলোচনা করেছি। গর্ভের সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে তা ‌ পরিবারের মানুষ এবং অনাগত সন্তানের বাবা-মায়ের জন্য খুবই আনন্দের।

আমরা উপরে যেসব লক্ষণ নিয়ে আলোচনা করেছি এগুলো সব ক্ষেত্রে সত্য বলে প্রমাণিত হয় না। এবং সন্তান গর্ভে থাকাকালীন তার লিঙ্গ নির্ধারণ করতে চাওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে আমাদের উচিত তাকে ভাল একজন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার। 

বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি

১) মেয়ে বাচ্চা পেটের কোন দিকে থাকে?

উত্তর: গর্ভস্থ বাচ্চা যে কোন পজিশনে থাকতে পারে। এবং প্রতিনিয়ত এদের পজিশন পরিবর্তন হতে থাকে।

২)কিভাবে বুঝবো আমার বাচ্চা ছেলে হয়েছে?

উত্তর: সব থেকে ভালো হয় যদি আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়। কারণ একমাত্র এই পদ্ধতিতেই সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ করা যায়।

৩)গর্ভাবস্থায় ছেলে হওয়ার লক্ষণ?

উত্তর: গর্ভাবস্থায় ছেলে সন্তান বেড়ে উঠছে কিনা এটা বোঝার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাফি ছাড়া বোঝার কোন উপায় নেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top