Chorabali Logo
স্বাস্থ্য

ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা| ভূমি উন্নয়ন কর নিবন্ধন

ভূমি অথবা জমি প্রতিটি মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। যার রকনা বেগুন কিংবা মালিকানা বংশ-পরম্পরায় অথবা পরিশ্রম করে মানুষ অর্জন করে থাকে। এই বমি অথবা জমি মানুষের ব্যক্তিগত হলেও একটি রাষ্ট্রের সরকার কিংবা সরকারি মহলে নিকটে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা প্রদান করতে হয়। ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা এখন ঘরে বসেই অনলাইন এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যাচ্ছে। বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের ভূমি মালিকদের সুযোগ সুবিধার জন্য মূলত অনলাইন চালু করেছে যা এখন ঘরে বসে একজন ভূমির মালিক তার ভূমির পরিমাণ উন্নয়ন কর খাজনা নির্দিষ্ট সময়ে পরিশোধ করার সুযোগ পাচ্ছে। তাই আমরা আজকে আপনাদের উদ্দেশ্যে ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা এবং ভূমি উন্নয়ন কর নিবন্ধন সম্পর্কিত বিষয়টি সম্পর্কে জানাবো। যার মাধ্যমে আপনারা ভূমির উন্নয়ন কর খাজনা এবং কিভাবে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার জন্য নিবন্ধন করতে হয় তা জানতে পারবেন।

প্রাচীনকাল থেকে প্রতিটি মানুষের কাছে মহা মূল্যবান ছিল জমি অথবা ভূমি। যেখানে মানুষ ফসল উৎপাদন করে তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে এবং তৎকালীন জমিদার কিংবা রাজা বাচ্চাদের কাছে কর প্রদান করত। অর্থাৎ ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা কিংবা ভূমির উপর খাজনা প্রাচীনকাল থেকে প্রচলিত একটি বিষয়। প্রাচীনকাল থেকেই জমির জন্য কৃষকেরা কর প্রদান করত তবে সে সময় অর্থ কিংবা উৎপাদিত ফসল হিসেবে প্রদান করত। তবে বর্তমান সময়ে ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা বিষয়টি অতীতের বিষয়ের সাথে কিঞ্চিৎ পার্থক্য তৈরি করেছে কেন না এখন ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের জন্য অর্থ প্রদান করতে হয় উৎপাদিত ফসল প্রদান করতে হয় না এছাড়াও বর্তমান সময়ে ভূমি অফিস কিংবা ঘরে বসে অনলাইন এর মাধ্যমে উন্নয়ন কর প্রদান করা যায়। কিন্তু অতীতে ছিল রাজ দরবারে জমা দেওয়ার প্রচলিত রীতি। অতীতের সেই রীতি এখন বিলুপ্তি ঘটেছে কোন মানুষ ঘরে বসে অনলাইন কিংবা গ্রাম ভিত্তিক ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে পারছে। বাংলাদেশ সরকারের অধীনে ভূমি মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের ভূমির মালিকদের নিরাপত্তা ও সুযোগ সুবিধার জন্য মূলত ভূমি উন্নয়ন করার বিষয়টি অনলাইন ও সহজ করে দিয়েছে। যার কারণে এখন প্রতিটি ভূমির মালিক তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ জমির যে পরিমাণ খাজনা প্রদান করতে হয় তা সহজেই পরিশোধ করতে পারছে।

ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা

জমি অথবা ভূমি প্রতিটি মানুষের কাছে যম যা বর্তমান সময় মানুষের মাঝে বিষয়টি প্রচলিত না হলে গ্রামাঞ্চলে কিংবা অতীত কালের প্রতিটি মানুষের মাঝে এই কুসংস্কার ছড়িয়েছিল। কেননা কেননা প্রাচীনকাল থেকেই ভূমি অথবা জমি নিয়ে প্রতিটি মানুষের মাঝে বিভিন্ন ধরনের বিবাদ অথবা দ্বন্দ্ব তৈরি হতো। যার কারণে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। তাইতো ভূমি মন্ত্রণালয় দেশের প্রতিটি ভূমির মালিকের জন্য ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা চালু করে। এটি বহু প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত একটি বিষয়। বর্তমান সময়ে এটি প্রচলিত রয়েছে তবে অতীতের মতো আর সরকারি মহলে কিংবা কোষাগারে গিয়ে তার জমা দিতে হয় না বরং বর্তমানে অনলাইনের মাধ্যমে ভূমির উন্নয়ন পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে। তাই আপনাদের জন্য আজকে ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গুলো তুলে ধরেছি যা আপনাদেরকে ভূমি উন্নয়ন কর সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।

উন্নয়ন কর পরিশোধ করার নিয়ম

1. ভূমি অফিসে গিয়েও আপনি ভূমি কর পরিশোধ করে আসতে পারেন –

2. অনলাইনেই ডাউনলোড করা যাবে খাজনার রশিদ –

3. ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার নিয়ম ২০২৩

ভূমি উন্নয়ন কর নিবন্ধন

ইন্টারনেট ভিত্তিক পরিষেবা কিংবা অনলাইন পরিষেবার মাধ্যমে এখন ভূমি উন্নয়ন পরিশোধ করার জন্য ঘরে বসে নিবন্ধন করা যাচ্ছে। তাইতো অনেকেই ঘরে বসে ভূমির উন্নয়ন কর পরিশোধ করার নিবন্ধনের উপায় এবং নিয়ম কানুন সম্পর্কে জানতে চান তাদের উদ্দেশ্যে আজকের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনে আমরা ভূমি উন্নয়ন কর নিবন্ধন কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে তথ্য গুলো তুলে ধরেছি। আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো আপনি সংগ্রহ করে আপনার প্রয়োজনে তথ্যগুলোর সাহায্যে ঘরে বসেই ভূমি উন্নয়ন কর নিবন্ধন করতে পারবেন এবং আপনার পরিচিত মানুষদের জানিয়ে তাদেরকে সহায়তা করতে পারবেন। নিচে ভূমি উন্নয়ন কর নিবন্ধন সম্পর্কিত তথ্যগুলো তুলে ধরা হলো:

ভূমি উন্নয়ন কর নিবন্ধন সহ ভূমি উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত সকল কাজ অফিসিয়াল ভাবে সম্পূর্ণ করার উদ্দেশ্যে আমরা একটি ওয়েবসাইটের লিংক প্রদান করছি যেটি মূলত ভূমি উন্নয়ন কর্তৃক গভমেন্ট অর্থাৎ সরকার পরিচালনা করে থাকে। তুমি উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয় সম্পর্কে আমাদের সহযোগিতার উদ্দেশ্যে এই ওয়েবসাইটটি পরিচালনা করা হয়ে থাকে আমরা সরাসরি ওয়েবসাইটটির লিংক নিচে তুলে ধরছি।

ভূমি উন্নয়ন কর নিবন্ধন

Mahedi Roni

আমি মেহেদি হাসান। পেশায় একজন বেসরকারি চাকরিজীবী। ২০১৫ সাল থেকে লেখালিখি নিয়ে আছি। এখন লেখালিখি পেশা ও সখ ২ টাই হয়ে গেছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also
Close